স্ট্রোকের পর রোগী বেঁচে যায়! কিন্তু ভুল চিকিৎসায় জীবনটা হারিয়ে ফেলে।
স্ট্রোক হলে সাধারণ লক্ষণগুলো দেখা দেয়: ১.হঠাৎ হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া ২.মুখ বেঁকে যাওয়া ৩.কথা জড়িয়ে যাওয়া ৪.হাঁটতে না পারা ৫.এক পাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া
স্ট্রোক প্যারালাইসিস: প্রথম ২৪ ঘন্টা কেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
স্ট্রোক হওয়ার পর প্রথম ২৪ ঘন্টাকে বলা হয় “Golden Time” — এই সময়ের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা শুরু করা গেলে রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
অর্থ ছিল, চিকিৎসা ছিল—শুধু ছিল না সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত!
ব্রেন অ্যাবসেস থেকে হাইড্রোসেফালাস—যেটা সময়মতো ধরা পড়লে বাঁচতো একটি শিশুর চোখ
মুখের স্নায়ুর ব্যথা – ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া
ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া (Trigeminal Neuralgia) হলো একটি দীর্ঘস্থায়ী স্নায়বিক ব্যাধি, যেখানে মুখের একপাশে হঠাৎ তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। এই ব্যথা সাধারণত কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
ইপিডুরাল ইনজেকশন: রোগীর জন্য তথ্য!
ইপিডুরাল ইনজেকশন হলো মেরুদণ্ডের চারপাশে ওষুধ দেওয়ার একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। সাধারণত স্টেরয়েড ওষুধ দেওয়া হয় ব্যথা ও প্রদাহ (inflammation) কমানোর জন্য।
হঠাৎ বক্তৃতা বা দাঁড়ানো অবস্থায় পড়ে যাওয়ার কারণ ও করণীয়!
আমীরে জামাত ডা. শফিকুর রহমান হাফিযাহুল্লাহ সাহেব syncopal attack এর পর দ্রুত সাড়া দিয়েছেন। সম্ভবত এটি Vasovagal syncope ছিল।
কবিরাজ কি স্ট্রোক রোগীকে ভালো করতে পারে?
কবিরাজ স্ট্রোক ভালো করতে পারেন না। কিছু রোগীর উন্নতি ঘটে প্রাকৃতিক কারণে বা মনস্তাত্ত্বিক কারণে। কিন্তু বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা না নিয়ে কবিরাজের উপর নির্ভর করা বিপজ্জনক এবং অনেক সময় রোগীকে স্থায়ী পঙ্গুত্বের দিকে নিয়ে যায়।






